যদি তারা সত্যবাদী হয়, তাহলে কেন তারা তাদের কৃতকর্ম গোপন করে?
শামের আনন্দে লাফান, নাচেন- দেয়ালে মাথা মারেন...। ফাটাই ফালান। এগুলো আমাদের কথা না, সাহাওয়াতদের পেজ আর একাউন্টে গেলেই দেখা যায় তারা শামের নামে সুসংবাদের ঝড় বইয়ে দিতেছে। তারা মুরতাদ জুলানীর নাম দিয়ে "শায়খ আল ফাতিহ" মানে "বিজয়ী শায়খ" হায়রে আল কায়দা... শাম বেচে আর কত খাবি?
দুনিয়ার সব কুত্তা বিড়ালকে সাথে নিয়ে তারা ইদলিব শহরকে তাগ্বুত কাফির বাশারের হাত থেকে ছিনেয়ে এনেছে, এতেই জুলানী "শায়খ আল ফাতিহ" হয়ে গেছে। আর হালাব থেকে দিয়ালা পর্যন্ত মুক্ত করে "শায়খ বাগদাদী" হয়েছেন খারেজী। ভূমির দৈর্ঘ্য প্রস্থ আর উচ্চতার হিসাব বাদ দিলাম। কারণ সে হিসাব দ্বারা আল্লাহর ওয়াদা কৃত ফাতহুল মুবিনের বা পরিষ্কার বিজয়ের হিসাব করা হয় না, করার কোন কারণও নেই। আমরা আগেও বলেছি আবারও বলছি, আমাদের দ্বীন আমাদের ভূমি দখল আর ছেড়ে চলে আসাকে চূড়ান্ত বিজয় হিসেবে দেখতে শিখায় না। হ্যাঁ, আসহাবুল উখদুদ - সবাই আগুনের গর্তে জ্বলেও বিজয়ী হয়েছে। যে সকল আম্বিয়া একাই জান্নাতে প্রবেশ করবেন কোন অনুসারী ছাড়া তারাও বিজয়ী। মুসা আ. যখন সমুদ্রের কিনারায় পৌঁছে গিয়েছিলেন তাগ্বুত ফিরাউনের তাড়া খেয়ে তখনও বিজয়ীই ছিলেন। আহযাবরা যখন নবী সা. এর দাওলাতুল ইসলামকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছিল, তখনও তারা পরাজিত হন নি, তাদের মধ্যে থাকা মদিনার মুনাফিকরা তখন বলছিলো, "তোমরা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ভয় পাচ্ছ, আর তোমাদের নবী তোমাদের শাম, ফুরস আর রোমের স্বপ্ন দেখাচ্ছে।" মুনাফিকদের উপর আল্লাহর লানত। আমাদের নবী সা. তখনও বিজয়ী ছিলেন, আজও আছেন আর কিয়ামত পর্যন্ত থাকবেন।
কারণ তার উম্মতের একটি দল কিয়ামত পর্যন্ত বিজয়ী থাকবে। তাদের বিরোধিতাকারীরা তাদের কোন ক্ষতিই করতে পারবে না। আর এ বিজয় হলো হক্বের উপর টিকে থাকে। যদি একজন মুমিন একাই পৃথিবীতে ত্বাগুতের সাথে আপস না করে ইমানের উপর টিকে থাকেন সেটাই বিজয়। আল্লাহ আমাদের দাওলাতুল ইসলামের উপর রহম করুন, একে হিফাজত করুন এবং একে ভূমিতে সংহতি প্রদান করুন।
কতই না উত্তম এ রাষ্ট্র। পৃথিবীর এমন কোন কাফির, মুরতাদ, মুনাফিক নেই যারা প্রত্যক্ষ আর পরোক্ষ ভাবে এই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে না। তারা আল্লাহর দ্বীনকে তাঁর শরীয়তকে মুখের ফুঁৎকারে নিভিয়ে দিতে চায়। কতই না অসম্ভব সে কাজ। মসুল শহরের এক পাশ কুফফাররা দখল করেছে, তাদের তাদের দুনিয়াবি ক্ষয় ক্ষতির পরিমাণ সবার জানা। ইতি মধ্যে ৬৫০০ এর মত নিহত হয়েছে। পৃথিবীর সকল অস্ত্র শস্ত্র জমা করে তারা গুটি কতেক মুজাহিদের বিরুদ্ধে লড়ছে। আল্লাহ অবশ্যই তারা বান্দাদের আশাহত করবেন না, ইনশাআল্লাহ। তদুপরি, যখন দেখি এই মজলুম রাষ্ট্র সেই অর্ধেক শহরে অবরোদ্ধ অবস্থায় আল্লাহর শরীয়ত প্রতিষ্ঠা করছে। আজান দিলে দোকান বন্ধ হচ্ছে, মসজিদের বাচ্চারা কোরআন মুখস্থ করছে আর হিসবাহর সদস্যরা সিগারেট পানকারীকেও শাস্তি প্রদান করে আল্লাহ দ্বীনকে মর্যাদাশীল করে রাখছেন, তখন চোখের পানি আটকে রাখতে পরি না। আমরা জোর কণ্ঠে বলি, আল্লাহু আকবার.. আল্লাহু আকবার.. আল্লাহু আকবার। এই দ্বীন বিজয়ী হয়েছে, এই দ্বীন কিয়ামত পর্যন্ত বিজয়ী থাকবে। আল্লাহ আমাদের হুসনুল খিতাম বা উত্তম পরিসমাপ্তি দান করুন।

ছবি: অবরোদ্ধ মসুল শহরে শিশুদের কোরআন শিক্ষা দিচ্ছেন মুজাহিদ ভাইরা

ছবি: মসুল শহরে হিসবাহ বিভাগ সিগারেট ধ্বংস করছেন
চলুন এখন দুটো ছবি দেখি,

ছবি: আমেরিকায় গণতান্ত্রিক শিরকি নির্বাচন হচ্ছে

ছবি: বাংলাদেশে ভোটের বাক্সে শিরকের টিকিট জমা দিচ্ছে কোন এক মুশরিক।
সবাই হয়তো ভাবছেন, কিসের সাথে কি? হঠাৎ করে ভোটাভুটির ছবি কেন? পরবর্তী ছবিগুলো একটু গুরুত্বের সাথে দেখুন:




জানেন এই ছবিগুলো কোথাকার? আমাদের "শায়খ আল ফাতিহ" মুরতাদ জুলানীর স্বাধীন করা ইদলিব শহরের। চোখ মাথায় উঠানোর দরকার নাই। এই ছবিগুলো বাংলাদেশে শাম বেচে "জন সমর্থনের" মূর্তির জন্য অঞ্জলি কিনে আনা সাহাওয়াতরা আপনাদের কখনও দেখাবে না। হ্যাঁ, আল কায়দার তত্ত্বাবধানে ইদলীবে গত সপ্তাহে গণতান্ত্রিক নির্বাচন হয়েছে। তারা তাদের "ইদারা মাদিনাহ", সোজা বাংলায় যার অর্থ আসে "সিটি কর্পোরেশন" কে গণভোটে "নির্বাচিত বেসামরিক কাউন্সিলের" হাতে সোপর্দ করেছে। এই নির্বাচনের ব্যাপারে সার্বিক সহায়তা করেছে "জেইশ আল ফাতহ"। এই ব্যাপারে সাহাওয়াত আল কায়দাদের ফেভারিট টিভি চ্যানেল বিস্তারিত রিপোর্ট করেছে। রিপোর্টের লিংক:
এই হচ্ছে জাদিদ আল কায়দার গোপন চেহারা। যা তারা ইসলাম প্রিয় সাধারণ ভাইদের কাছে গোপন করে। তারা মুখে বলে এক কথা আর কাজের করে উল্টো। তারা নাকি গণতন্ত্রকে শিরক মনে করে। লানাতুল্লাহি আলাল কাজিবিন। ঈমান হলো এমন হলো তা যা প্রতিদিন মানুষকে উত্তম থেকে আরও উত্তম করে আর কুফর মানুষকে অধম থেকে আরও অধম করে। তারা এতো কিছু করছে আমেরিকার সামনে এই প্রমাণ করার জন্য যে আমরা চরমপন্থি না, আমরা ভালো হইয়া গেছি। দেখ, আমরা নির্বাচনও করছি। কিন্তু তাতে কোন লাভই হয় নি, আমেরিকান ড্রোন গতকালও তাদের শ'খানেক মুরতাদকে হত্যা করেছে। আলহামদু লিল্লাহ, জালিমের হাতে জালিম ধ্বংস। আল্লাহর লানত মুরতাদদের প্রতি।
যারা এখনও আল কায়দার রিদ্দার ব্যাপারে সন্দিহান তারা সত্য যাচাই করতে আল কায়দার নেতা কেতা আর কর্মীদের এই ব্যাপারে প্রশ্ন করুন। তাদের #কৌশলগত_পর্যালোচনা শুনুন এবং আমাদের অবগত করুন।
বাক্বিয়্যাহ মিডিয়া স্ট্রাইক
বাতিলের মুখোশ উন্মোচনে আপোষহীন
https://www.facebook.com/BaqiyyahMS/
