পাঠকের চোখে "মুক্ত বাতাসের খোঁজে"
Image result for মà§à¦à§à¦¤ বাতাসà§à¦° à¦à§à¦à¦à§

আগে প্রচুর হতাশ হতাম,এখন আর হতাশাবোধ করি না।আল্লাহর কাছে দুই হাত তুলে কাঁদি।রাহমানুর রাহীম আল্লাহ আমাকে হেদায়াত নসীব করেছেন।প্রায় তিনমাস যাবত আমি হস্তমৈথুন আর পর্নোগ্রাফি থেকে দুরে আছি।আমি শিউর আল্লাহ আমার এই গুনাহ রহমতে ভরপুর করে দিবেন।যাদের জন্য এটি সম্ভব হয়েছে তারা হলেন ঐ বড় ভাই যিনি গ্রুপে পোস্ট দিয়েছিলেন আর মুক্ত বাতাসের খোঁজে বইটি যারা লিখেছেন।আমি ধন্যবাদ দিয়ে শেষ করতে পারব না।আমার অন্তর এমন কি আমার হাড়ে ও দোআ দিবে এর জন্য।যারা মানুষকে পাপ কাজ থেকে বাঁচাতে এরকম একটি বই লিখেছেন।নিশ্চই কিয়ামাতের দিন এর উত্তম প্রতিদান পাবেন।ইনশাআল্লাহ।

 

"মুক্ত বাতাসের খোঁজে" ; একটা বই, এ প্রজন্মের অক্সিজেন। শুধু একটা কথাই বলবো-পড়ুন,পড়ুন ‎এবং পড়ুন...

 

এই বইটি লিখা যে এই প্রজন্মের জন্য কতটা অনিবার্য প্রয়োজন ছিল, তা পাঠকমাত্রই উপলব্ধি করতে পারবেন৷ লেখক কত গভীরভাবে আমাদের এ নৈতিক অবক্ষয়টাকে উপলব্ধি করেছেন৷ যে অবক্ষয়ের উপলব্ধি অনুধাবনের আগেই প্রতিদিন শত শত তরুণ তরুণী হারিয়ে যাচ্ছে এক নীল অন্ধকারের বলয়ে ৷ সেই সব অবুঝ তরুণ-তরুণী দিকভ্রষ্ট সব মানুষের প্রতি লেখকের কত ব্যাথা নিয়ে কত দরদমাখা আকুল আবেদন- "দুঃখিনী বাংলার আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা, নীল অন্ধকারে আটকে পড়াদের, ভাইয়েরা আমার ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেয়ো না………

 

যদি সামর্থ্য থাকতো বাংলাদেশ প্রতিটি যুবক কে এক কপি করে হাদিয়া দিতাম।

 

এ কোথায় বাস করছি আমরা? আমার কাছে এ পৃথিবীটা নরকের মত লাগছে। আশপাশ অসুস্থতায় ভরা।

 

শুধু এতটুকু বলছি একজন প্রাপ্ত বয়স্ক হিসেবে সবার বইটা পড়া উচিৎ। আমি কি করেছি ,আপনি কি করেছেন সেটা আমার আপনার চেয়ে কেউ ভাল বলতে পারবেনা।

 

আপনার পরিচিত কোন চেহারার পিছনে হয়ত লুকিয়ে আছে কুরুচিপুর্ন এক মানুষ। এই নীল ছবি তাকে পরিনত করছে কোন হিংস্র পশুতে। ফল শ্রুতিতে বাড়ছে ধর্ষন,যৌন হয়রানি। "মুক্ত বাতাসের খোঁজে " বইটি এই আসক্তির একটি এন্টিডট। স্লো এক্টিং নয় বরং ফাস্ট এক্টিং এন্টিডট।

 

যদি সম্ভব হত তাহলে আমার আশেপাশের সকল কে এই বই উপহার দিতাম।

 

ঘুণেধরা সমাজের বিষাক্ত বাতাসে তরুণদের ফুসফুস যখন ক্ষত-বিক্ষত "মুক্ত বাতাসের খোঁজে""" নিয়ে এলো মুক্তির বাতাস

 

ঢাকার প্রতিটি স্কুল কলেজের লাইব্রেরিতে বইটি রাখা উচিত বলে মনে করি।

 

পর্ন ও মাস্টারবেশন খুবই পরিচিত দুটি শব্দ; বিশেষ করে যুব সমাজের নিকট। যুব সমাজের মনোজগত গ্রাস করে নিয়েছে এই হীন দুটি কর্ম। এ যেন নেশায় পরিণত হয়েছে। ঘরে,বাহিরে,আড্ডায় এমন কি ক্লাস রুমেও থেমে নেই এই হীন কর্ম দুটি। কিন্তু এর এর ক্ষতিকর দিক বা এর থেকে বাঁচার উপায় নিয়ে বৈজ্ঞানিক এবং ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি আলোকে বাংলায় ভাল বই আছে কি না আমার জানা নেই।

 

"মুক্ত বাতাসের খোঁজে" । একটা ভিন্ন দুনিয়া।
বিশেষত্ব? এই বইয়ের কথাগুলো বাস্তবতাই এর বিশেষত্ব।

 

এই বইটা পড়ার পর যে কেউ এই নিন্দনীয় কাজ করার পূর্বে কয়েকবার ভাববে। কারন একদিকে আল্লাহভীতি অন্যদিকে ব্যক্তিক কুফল!

 

অন্তরবিধ্বংসী পর্নোগ্রাফীর করাল গ্রাস থেকে বাচঁতে মুক্ত বাতাসে নিজেকে পরিশুদ্ধ করতে লস্ট মডেস্টি টিমের এক অনবদ্য প্রয়াস মুক্ত বাতাসের খোজেঁ।

 

বর্তমানে জেনারেল শিক্ষিত কিছু ভাই এমনসব গুরুত্বপূর্ণ কাজ অাঞ্জাম দিচ্ছেন যেগুলো মূলত দেশের উলামা-ই কিরাম গুরুত্ব সহকারে অাদায় করার কথা ছিলো।

 

চেনা জানা কাছের। অনেক পরিচিত একজন। চোখের পানি ফেলে ফেলে #মুক্ত-বাতাসের পাতা ভিজিয়ে ভিজিয়ে কি যেন বলছে।

 

পড়েছি মাত্র ৫৪ পৃষ্ঠা। তাতেই মনে হচ্ছে, লাইফের সেরা বই এটি।মনে হচ্ছে,কেনো পাইনি বইটি আরো ৩-৪ বছর আগে।মনে হচ্ছে,লক্ষ লক্ষ কপি ক্রয় করে বিলিয়ে দেই আমারই মত তরুণ-তরুণীদের মাঝে।

 

আপনার ছেলেমেয়ে,ছোট ভাইবোন,পাড়া প্রতিবেশীকে বাঁচান।

 

চোখের সামনেই এই মহামারীতে আক্রন্ত হয়ে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে নিজের সন্তান,ভাই, বোন, স্বামী,স্ত্রী,নিকটআত্নীয়,কাছের প্রিয় বন্ধু কিংবা নিজেই নিজেকে ধ্বংস করছি প্রতিনিয়ত।অনেক চেষ্টা করেছি সমাধানের পথ এখনও বের করতে পারিনি। বইটি তাদের অন্তরের অন্তঃস্থলে প্রবেশ করে অন্তরের সকল দূষিত পদার্থ দূর করে সত্যিকার গাইডলাইন হিসাবে কাজ করবে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

 

আমি এটাকে সাধারণ বই বলবো নাহ! এটা একটা মাস্টারপিস বই। এটা একটা অক্সিজেন!! কিন্তু বইটা তেমন কোন প্রচার বা আলোচনা দেখলাম নাহ!

 

সকল খারাপ কিছু বর্জন করে আপনাকে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর কাছে সমর্পন করতে এই বই আপনাকে যথেষ্ট গাইডলাইন দিতে সহায়ক হবে।

 

এক‌টি মাস্টার‌পিস বই। প্র‌ত্যে‌কের পড়া উ‌চিত। বইটি অ‌ক্সি‌জে‌নের ম‌তো.. বর্তমা‌নে যারা onlineএ জন‌প্রিয় তা‌দের কা‌ছে আ‌বেদন থাক‌বে বই‌টি প্রচা‌রে এ‌গি‌য়ে আসুন।

 

কাদের জন্য বইটি!
এটা আমার জন্য অসাধ্য। অর্থাৎ এই বইটির পাঠকদের ক্যাটাগরিওয়াইজ সাজানোটা অসম্ভব। ১০ বছর থেকে শুরু করে ৯০ বছরের বৃদ্ধ পর্যন্ত সকলকেই এই বইটি পড়তে হবে।

 

এই বইটা ছেলেরা কেনো পড়বে? কারণ তারাই সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী। টিভি, মিডিয়া, পত্রিকা, বিলবোর্ড, সহশিক্ষা, চটি, পর্নগ্রাফি তাদের প্রাণশক্তি নিঃশেষ করে দিচ্ছে, যৌনতাকে উষ্কে দিয়ে নিবৃত্ত হবার কোন উপায় দিচ্ছেনা, ফলে তারা হয়ে পড়ছে এইসবে আসক্ত, তাদের এইসব অন্ধকার থেকে বের হয়ে আসতে টনিকের মত কাজ করবে আশা করি।
.
এই বইটা মেয়েরা কেনো পড়বেন? কারণ মেয়েরা সবচেয়ে বেশি ভায়োলেন্স এর শিকার হয় এই রোগে আক্রান্ত পুরুষের দ্বারা! কেনো পুরুষেরা আর ভালোবাসতে জানেনা, মেয়েদেরকে আর মেয়ে হিসেবে সম্মান করতে জানেনা, একদলা মাংস্পিন্ড, সেক্স অবজেক্ট হিসেবেই কেবল কেনো তাদেরকে বিবেচণা করার পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে, কেনো তাদেরকে মন, রক্ত, মাংস, হৃদয় সম্বলিত, ভালোবাসা, আবেগ, অনুভূতি সম্পন্ন মানুষ ভাবতে ভুলে যাচ্ছে পুরুষেরা তার মূল কারণ আবিষ্কার করতে পারবে। তাদেরকে ফিরিয়ে আনতে তারা খুব ই কার্যকর উদ্যোগ নিতে পারবেন। হয়তো মা, বোন বা স্ত্রী হিসেবে (নট জি এফ, জাস্ট ফ্রেন্ড!)
.
কেনো অভিভাবকেরা পড়বেন এড়িয়ে না গিয়ে? কারণ আপনি যতই নিষ্পাপ শিশু ভেবে আপনার সন্তান কে ট্যাব মোবাইল তুলে দিচ্ছেন না কেনো কম বয়সে, সে যে আপনার অবহেলার কারণে এই ছোট্ট বয়সে পর্নগ্রাফির জগতের বাসিন্দা হয়ে বসে আছে তা টের পাবার জন্য, আপনি যে সন্তান কে সামনে নিয়ে আইটেম সং দেখছেন, সেক্স আপিল তৈরি করে এমন অনুষ্ঠান তাকে সাথে নিয়ে উপভোগ করছেন তার কচিমনে কিভাবে তা পর্ন এর দিকে ঝোকার জন্য, নারীকে সেক্স অবজেক্ট হিসেবে মনজগতে ধারণ করার জন্য মূল উৎস তা উপলব্ধি করার জন্য এবং নিজের, নিজেদের সন্তানের ভালোর জন্য যথাযথ পদক্ষেপ কেমন নেয়া উচিত তা জানতে পড়বেন।

 

হ্যা এ বইয়ের গল্প গুল আমার জীবনের গল্প....I repeat আমার জীবনের গল্প। হয়ত আপনার বা আপনার শ্রদ্ধেয় uncle, বড় ভাই কিংবা ঠোটের উপর সবেমাত্র কালো রেখা গজান আপনার প্রিয় পবিত্র ভাই, ভাতিজা, ছেলের গল্প।.....
আপনি হয়ত চিন্তাও করতে পারবেন না কিভাবে এই অবক্ষয়ের অক্টোপাস আমাদের কে অষ্টেপৃষ্টে জরিয়ে ধ্বংস করছে।......
বইটিতে এর ভয়াভয়তার চিত্র আর উত্তরনের উপায় বলা হয়েছে...
হে পিতা, ভাই, বোন, আঙ্কেল, ফুপু...
আর দেরি নয় এক্ষনি এই বইটি আপনি নিজে পড়ুন..আপনার ছোট বড় সবার হাতে বইটি বিদ্যুৎ বেগে ছড়িয়ে দিন। অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে... ক্ষতি হচ্ছে....

 

আমি পাঠক সমাজকে সাবধান করে দিচ্ছি, অনেক লিখাই হজম করতে কষ্ট হবে, দুনিয়ার কদর্য রূপ সম্পর্কে খুব কমই সচেতন, খুব কমই সতর্ক আমরা এটা নতুন করে উপলব্ধি করবেন এই বইয়ে। বইটা পড়া শুরু করে মাঝপথে এসে দম বন্ধ হয়ে আসছে বলে মনে হলেও প্লিজ চলে যাবেন না। আপনি মুখ লুকালেও সত্য কখনো বদলাবে না, সব সমস্যা আপনাআপনি ঠিক হয়ে যাবে না।

 

এই বিষয়ে বাংলাদেশে হয়তোবা এটিই প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাজ। আল্লাহু আলাম।কখনো কী কোন সেক্যুলারকে এ ধরণের বই বের করতে দেখেছেন ? বা এই রিলেটেড কোন পূর্ণাঙ্গ কাজ করতে দেখেছেন ? না, তারা পারবে কেবল নারী নির্যাতনের পরিসংখ্যান দেখিয়ে ‘নারীবাদী’ হয়ে নারী অধিকার নিয়ে তাদের বস্তাপঁচা বুলি কপচানো । অথচ , তারাই আমাদের মা-বোনদের ঘর থেকে বের করেছে ,নারী অধিকারের নামে । তারাই শিখিয়ে কীভাবে পুরুষের কাধে কাধ মিলিয়ে পুরুষের শারিরীক ক্ষুধা মেটানো যায় , গড়ে তুলেছে এক ভোগবাদী সমাজ । নারীকে দাঁড় করিয়েছে পুরুষের প্রতিপক্ষরূপে।

 

যারা বইটি কিনেছেন তাদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ রইলো যদি পারেন বইটি আপনার পরিচিত বন্ধু বান্ধব অথবা ছোট ভাইকে গিফট করতে পারেন।
আর যদি না পারেন অন্ততপক্ষে আপনার কেনা বইটি মিনিমাম ১৫-২০ জন কে পড়াতে পারেন।

 

অসম্ভব সুন্দর রচনাশৈলীর এই বইটির পরতে পরতে ধাক্কা খাওয়ার মতো সব তথ্য আর উপাত্ত দিয়ে ভরপুর। “পর্ন দেখলে কোন ক্ষতি হয়না”, “মাস্টারবেশন স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী” এরকম ধারনা গুলে খেয়ে বালিতে মুখ গুঁজে থাকা আপনাকে টেনে হিঁচড়ে বাস্তবতার দিকে নিয়ে যাবে।

 

আসলে এই বই পড়ার পর যে কোন তরুণ/তরুণী এই ব্যাধিটি নিয়ে ২য় বার চিন্তা করবে। প্রকৃতপক্ষে তারা এসব কাজ থেকে ফিরে আসতে পারবে। তাই, রিকুয়েস্ট থাকবে তরুণ/তরুণী বিশেষ করে তরুণরা মাস্ট এই বইটি পড়বেন। এককথায় অসাধারণ একটি যুগোপযোগী বই
ধন্যবাদ #Ilmhouse প্রকাশনকে এইরকম সাহসী বিষয়ে বই পাবলিশে সহায়তা করার জন্য।
.
সালাউদ্দীন আইয়ুবি বলেছিলেন, যুদ্ধ ছাড়া কোন জাতীকে ধংস্ব করার একটি উপায় হলো ব্যভিচার বা নগ্নতাকে তরুন প্রজন্মের কাছে সহজলভ্য করে তোলা!!!! আজ আমরা ধংস্বের পথে হাটছি!! তাই যুবক ভাই দের প্রতি আহবান এই বিষয় ও এর ক্ষতি জানতে বইটি পড়ুন!!!! আল্লাহ আপনাদের দুনিয়া ও আখিরাত এর জীবনকে সুন্দর করুক

 

বাংলা ভাষায় এইরকম বই আর আছে কিনা আমার জানা নেই।আমার ইচ্ছে হয় প্রতিটি মানুষকে এই বইটি উপহার দিতে,বইটির উপর সেমিনার করতে।খুব-ই গুরুত্বপূর্ণ একটা বই।সংক্ষিপ্তসারে বইটা নিয়ে রিভিউ লিখা আমার কাছে দুর্ভেদ্য মনে হচ্ছে।বইটা না পড়লে অনেক বড় কিছু মিস করবেন।

 

অনলাইনে বইটি নিয়ে প্রচুর আলোচনা শুনেছি। তবে সম্প্রতি বইটি পড়ার সৌভাগ্য হয়েছে। আমার মনে হয়েছে প্রত্যেকটা প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের এই বইটি পড়া উচিত। সে ধার্মিক কিংবা অধার্মিক হোক, হোক বিবাহিত কিংবা অবিবাহিত, ছেলে কিংবা মেয়ে। আমরা সবাই-ই কম-বেশি এই ফিতনার সমুদ্রে বাস করছি। কীভাবে গা বাঁচিয়ে চলতে হবে তা জানাটা খুব জরুরী। বইতে উল্লেখ করা কিছু পরিসংখ্যান দেখে আঁতকে উঠেছি

 

আমারা যারা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছি, ফ্রি মিক্সিং/নীল ভাইরাস যা আমাদের কাছে অতি সাধারণ ব্যাপার তাদের মনোভাব সম্পর্কে আপনি আমার বোনেরা জানতে পারবেন। রাস্তায় হাটা ছেলেটার চোখে আপনি ক্রাসিত বস্তু নাও হতে পাতেন। কি হবেন তা বইতে লিখা আছে। আক্রান্ত রোগিরা আপনাকে নিয়ে কি চিন্তা করে কল্পনা করে বুঝতে পারবেন, আপনার বেস্ট ফ্রেন্ড নামের ছেলেটা কি মনে করে জানতে পারবেন, জাস্ট ফ্রেন্ড কেমন তা হইতো বুঝতে পারবেন যদি ডাবল স্ট্যান্ডার্ড মনোভাব প্রকাশ না করে চিন্তা করতে পারেন। আল্লাহ্‌ র ভয়ে পর্দা হয়তো করেন না কারণ আপনি এখনো আল্লাহ কে চিনতে পারেন নি। তবে এই সমাজের নীলে আক্রান্ত রোগীরা কি চিন্তা করে তা ইন-শা-আল্লাহ বুঝতে পারবেন জানতে পারবেন। আর হয়তো নিজে থেকেই পর্দা করতে শুরু করবেন যদি সত্য মেনে নেয়ার ক্ষমতা থাকে আপনার। শেষ কথা, আমাদের আধুনিক সমাজ আমাদের শেখায় প্রশ্ন করতে,প্রমান চাইতে, কিন্তু শেখায় না প্রমাণিত সত্য মেনে নিতে(অবশ্যই ডাবল স্ট্যান্ডার্ড মনোভাব ছেড়ে)।

 

হতাশা, বিষন্নতা কাটিয়ে উঠেছি সেই কবে , পড়াশোনায় উৎসাহ ফিরে পেয়েছি । জীবনটাকে এখন অনেক অনেক বেশি ভালবাসতে ইচ্ছে করে । এই গ্রীষ্মের মত জীবনটাকে এত মধুর মনে হয়নি আগে কখনো ।

 

এছাড়াও পড়তে গিয়ে আরো অনেক জায়গায়ই কাঁদবেন,যদি সত্যিই বোধশক্তি নষ্ট না হয়ে গিয়ে থাকে। নিজের অজান্তেই বছরের পর বছর ধরে নিজের শরীর আর মনের কত বড় ক্ষতি করে গেছেন এই ভেবে কাঁদবেন। কীভাবে আল্লাহর সাথে বেয়াদবি করেছেন,কীভাবে তাঁর কথা অমান্য করে হয়েছেন সীমালংঘনকারীদের অন্তর্ভুক্ত। কীভাবে মনের অজান্তেই জাহান্নাম এর দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছেন তা ভেবে চোখ ভিজে উঠবে।

 

আলোচ্য বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শুধু উপদেশ নয় বরং জরুরী তথ্য প্রমাণের মাধ্যমে মনে এমন ভয় ঢুকিয়ে দেবে যে গায় লাগতে বাধ্য। পড়ার পর নিজের শরীর সাস্থ্য মননকে হালকা বিনোদনের মাধ্যমে ধংস করতে দ্বিতীয়বার ভাবতে হবে।
আল্লাহ সহজ করুক।

 

বইটা আসলেই ভাল মানের, কিছু জিনিস যা আমরা কখনো ওভাবে ভাবি না, স্কিপ করে যাই সবসময়, এই বইটা আপনাকে সেসব ভাবনাকে জাগ্রত করবে, স্কিপ করা জিনিস গুলোকে নিয়ে নতুন করে চিন্তা করতে সাহায্য করবে, এবং অবশ্যই আপনাকে বুঝতে সাহায্য করবে কোনটা আপনার/ আপনার ফ্যামিলি/ ফ্রেন্ডসদের জন্য ভালো বা খারাপ যা এতদিন ছিল উপেক্ষিত।

 

আমি তো খুব লজ্জা করে বসে থাকি ভালো ছেলে হয়ে। কিন্তু দুনিয়া কি বসে আছে? আল্লাহর শত্রুরা একের পর এক কৌশল করে যাচ্ছে আমাদেরকে পথহারা করার জন্য। শয়তানের দোসররা ওঁৎ পেতে আছে আমাদের ঈমান কেড়ে নেবার জন্য। কাফিররা পরিশ্রম করে যাচ্ছে মুসলিম তরুণদেরকে দুনিয়ার সস্তা প্রলোভন দেখিয়ে আখিরাতের স্মরণ থেকে দূরে সরানোর জন্য। তাই আমার লজ্জা করে থাকার সুযোগ নেই। আমার ছোট ছোট নিষ্পাপ ভাইবোনের সর্বনাশ করার জন্য হাজারটা মাধ্যম প্রস্তুত হয়ে থাকবে, আর আমি চুপ করে বসে থাকবো?

 

তথ্যবহুল গবেষনাধর্মী যুবসমাজের টনক নাড়ানোর মত অসাধারণ একটি বই। বইটিতে আছে আতংক সৃষ্টিকারি কিছু সমস্যারর কথা, আছে সুন্দর সমাধান। যেই সমস্যার সমাধান গুলার জন্য মানুষ চাতক পাখির ন্যায় হয়ে যায়। এমনকি যারা নিজেরাও জানে না যে তাদের সমস্যা আছে এবং সেটার সমাধানও দরকার, তাদের জন্যও রয়েছে দিক নির্দেশনা।

 

বইটি পড়ার পরে প্রথম যে অনুভূতি হয়েছিল- "হায়... আমার যদি সামর্থ্য থাকতো, অনেকগুলো কপি কিনে যুবকদের মাঝে ফ্রি বিতরণ করতাম"।

 

কারো সাথে আপনার সমস্যা শেয়ার করতে লজ্জা পাচ্ছেন।আপনার প্রিয় বাবা-মা তাদের সাথে মনের লুকিয়ে থাকা কথা বলতে লজ্জা পাচ্ছেন,আপনার প্রিয় শৈশবের বন্ধুমহল তাদের সাথে পারছেন না আপনার ভেতরের ইবলিশের সাথে আপনার প্রতিদিন যেসব আতাত চলছে তা তুলে ধরতে।পারছেন না স্বাভাবিকভাবে সমাজে চলাফেরা করতে, হারিয়ে ফেলছেন আপনার বিগত সুন্দর জীবনের দিনগুলোর সামাজিকতা।
ভেঙ্গে পড়বেন না।আপনার এই সমস্যা নিরসনে এই বই ইনশাআল্লাহ আপনাকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিবে।আপনার সকল খারাপ কিছু বর্জন করে আপনাকে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর কাছে সমর্পন করতে এই বই আপনাকে যথেষ্ট গাইডলাইন দিতে সহায়ক হবে।


Created: 28/09/2018
Changed: 28/09/2018
Visits: 212
Online: 0