আল হিকমাহ মিডিয়া পরিবেশিত

 

তাগুতের কারাগারে বন্দী মুজাহিদদের কাছে লেখা

শাইখুল হাদিস মুফতি আবু ইমরান হাফিজাহুল্লাহর দরদমাখা চিঠি

দ্বীনের বিজয় যেভাবে আসবে...

 

 

ac56c32231a347d63db41be19003f2b3.jpg

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

সর্বাবস্থায় সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য। দুরুদ ও সালাম রাসুল সাল্লাল্লাহু আলিহি ওয়াসাল্লাম ও তার পরিবার পরিজনের জন্য যারা আমরন একাধারে তিন দিন পেট পুরে খাবার খেয়ে যাননি।

ابن تيمية رحمه الله حيث قال لما أُدخل سجن القلعة : ( ما يصنع أعدائي بي ، أنا جنتي في قلبي ، وبُستاني في صدري ، أين رحت فهي معي لا تفارقني ، أنا حبسي خلوة ، وقتلي شهادة ، وإخراجي من بلدي سياحة).

وقال أيضاً كما نقل عنه ابن القيم في الوابل الصيب : ( المحبوس من حُبس قلبه عن ربه ، والمأسور من أسرَهُ هواه

ইবনে তায়মিয়া রহিমাহুল্লাহকে যখন দুর্গের কয়েদখানায় বন্দি করে ফেলা হয়, তখন তিনি বলেছিলেন- আমার শত্রুরা আমার কী করতে পারে, আমার জান্নাত তো আমার অন্তরে, আমার উদ্যান আমার বক্ষে, যেখানেই যাবো সেটি আমার সাথে আমার থেকে বিচ্ছিন্ন নয়, আমার আবদ্ধ থাকা নির্জন ধ্যনমগ্নতা, আমার নিহত হওয়া হবে শহীদ হয়ে যাওয়া, দেশ থকে বহিষ্কার হলো সিয়াহাহ, (আল্লাহর জন্য পাগলপারা হয়ে ছুটতে থাকা।) তিনি এটিও বলেন যেমন ইবনুল কায়্যিম রাঃ ওয়াবিলুস সাইয়্যিবে বর্ণনা করেন- প্রকৃত আটক তো হলো ঐ ব্যক্তি যার অন্তর তার রব থেকে অন্যত্র আটক হয়ে আছে। আর কয়েদি তো হলো সে যাকে তার প্রবৃত্তি বন্দি করে ফেলেছে।” – ইবনুল কাইয়িম রহঃ কৃত আলওয়াবিলুস সাইয়িব-৫৯, হাফেজ ইবনে রজব রহঃ কৃত তাবাকাতুল হানাবিলাহ- ২/৪০২

وقد جاء في الحديث الذي رواه الترمذي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: (( الفرّارون بدينهم يجتمعون إلى عيسى عليه السلام)

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- “আপন দ্বীন নিয়ে পালিয়ে বেড়ানো ব্যক্তিগণ ঈসা আলাইহিস সালামের সাথে মিলিত হবেন।” –আর-রাবিউ আশারা মিনাল খালইয়্যাত- হাদিস নাম্বার-৬১

বন্দি ভায়েরা পালিয়ে বেড়ানোর কষ্টে পতিত।

واعلم أن الاختفاء من الطواغيت هو من سنن الأنبياء والصالحين . فهذا موسى عليه الصلاة والسلام خرج من مصر خائفاً يترقب . وأصحاب الكهف آووا إلى الكهف فراراً بدينهم . ورسول الله صلى الله عليه وسلم اختبأ في الكهف هو وصاحبه أبو بكر الصديق رضي الله عنه . وكذلك الأئمة من علماء المسلمين فروا وآووا إلى ملاجئ بعيداً عن أعين أهل الظلم والطغيان ، فهذا إمام السنة أحمد بن حنبل ، ومن قبله الإمام الحسن البصري رحمه الله وغيرهم كثير من الأولياء والصالحين

“যেনে রাখ তাগুত (এর নির্যাতনের কারনে তাদের নির্যাতন) থেকে আত্মগোপনে থাকা. এটি নবী-ওলিগনের চিরাচরিত রীতি, এইতো মুসা আলাইহিস সালাম মিসর থেকে ভীত-শংকিত বের হয়েছেন, আসহাফে কাহাফ নিজেদের দ্বীন নিয়ে পলায়মান থেকে গুহায় আশ্রয় নিয়েছেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তারঁ সাথি আবু বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু আত্মগোপন করেছেন গুহায়। এমনিভাবে মুসলিম পন্ডিতদের মধ্যে ইমামগণ।”

فإن ضاقت عليك الدنيا ، ولم تجد من يؤويك ، فإن الله مؤويك ، وناصرك قال الله تعالى : { إِلاّ تَنْصُرُوهُ فَقَدْ نَصَرَهُ اللَّهُ إِذْ أَخْرَجَهُ الَّذِينَ كَفَرُوا ثَانِيَ اثْنَيْنِ إِذْ هُمَا فِي الْغَارِ إِذْ يَقُولُ لِصَاحِبِهِ لا تَحْزَنْ إِنَّ اللَّهَ مَعَنَا فَأَنْزَلَ اللَّهُ سَكِينَتَهُ عَلَيْهِ وَأَيَّدَهُ بِجُنُودٍ لَمْ تَرَوْهَا وَجَعَلَ كَلِمَةَ الَّذِينَ كَفَرُوا السُّفْلَى وَكَلِمَةُ اللَّهِ هِيَ الْعُلْيَا وَاللَّهُ عَزِيزٌ حَكِيمٌ } . فلا تحزن إن الله معك وأبشر بالأمن ، فإن لم تحصل عليه في الدنيا ، فقد أعده الله لك في الآخرة في البرزخ ، ويوم القيامة ، أمن من فتنة القبر ، وأمن يوم الفزع الأكبر ، ويوم تدخل الجنة ، أمنٌ دائم { فلا خوف عليهم ولا هم يحزنون .

“যদি পৃথিবী তোমার উপর সংকীর্ণ হয়ে যায় আর তোমাকে আশ্রয় দেয়ার কাউকে না পাও তাহলে আল্লাহ তায়ালা তোমার আশ্রয়দাতা ও সাহায্যকারী রয়েছেন।

আল্লাহ তায়ালা বলেন- যদি তোমরা তাকে সাহায্য না করো তবে আল্লাহ তাকে সাহায্য করেছেন যখন তাকে কাফেররা বের করে দিয়েছিলো। তিনি ছিলেন দুইজনের দ্বিতীয়জন যখন তারা গুহায় অবস্থান করছিল যখন তিনি তার সাথীকে বললেন চিন্তা করোনা আল্লাহ আমাদের সাথে রয়েছেন, ফলে আল্লাহ তায়ালা আপন প্রশান্তি তার প্রতি অবতীর্ণ করলেন এবং এমন সৈন্যবাহিনী দিয়ে সহায়তা করলেন যাঁদেরকে তোমরা দেখনি আর কাফিরদের বাণীকে নিচু করে দিলেন। আর আল্লাহর বাণীই হলো উন্নত, আল্লাহ তায়ালা পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।

আর আপনি নিরাপত্তার সুসংবাদ গ্রহন করুন যদি তা দুনিয়াতে লাভ না হয় তাহলেও আপনি তা পাবেন পরকালে, বরযখে, কিয়ামতের দিনে। নিরাপদ থাকবেন কবরের ফিতনা থেকে, নিরাপদ থাকবেন বড় ঘাবড়িয়ে দেয়ার দিনে এবং যখন জান্নাতে প্রবেশ করবেন, তাদের জন্য চিরস্থায়ী নিরাপত্তা, কোন ভয় নেই আর তারা চিন্তিত ও হবেনা।”

والله سبحانه وتعالى ينبئك عن حال الطواغيت مع أهل التوحيد ، ويبين لنا مآل الظالمين ، ومآل الموحدين ، قال الله تعالى وَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لِرُسُلِهِمْ لَنُخْرِجَنَّكُمْ مِنْ أَرْضِنَا أَوْ لَتَعُودُنَّ فِي مِلَّتِنَا فَأَوْحَى إِلَيْهِمْ رَبُّهُمْ لَنُهْلِكَنَّ الظَّالِمِينَ . وَلَنُسْكِنَنَّكُمُ الْأَرْضَ مِنْ بَعْدِهِمْ ذَلِكَ لِمَنْ خَافَ مَقَامِي وَخَافَ وَعِيدِ

“আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা তাওহীদবাদীদের সাথে তাগুতদের অবস্থা জানিয়ে দিচ্ছেন এবং আমাদের সামনে জালেমদের পরিণতি এবং একত্ববাদীদের পরিণতি পরিষ্কার করে দিচ্ছেন। আল্লাহ তায়ালা বলছেন- আর কাফেররা তাদের রাসুলদেরকে বলে আমরা তোমাদেরকে আমাদের দেশ থেকে তাড়িয়ে দেব অথবা তোমরা আমাদের মতাদর্শে ফিরে আসবে, তখন তাদের রব তাদের প্রতি ওহী প্রেরণ করলেন যে আমি অবশ্যই জালেমদের ধ্বংস করবো আর তাদের পরে তোমাদেরকে দেশে থাকতে দিব, আর সেটি তাদের জন্য যারা আমার সম্মুখে দাড়ানোর ভয় করে এবং ধমককে ডরায়। (ভয় পায়।)”

দেখুন আয়াত পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে তাওহীদের দাওয়াত প্রদানকারীদের সাথে কাফেরদের পক্ষ থেকে যখন হুমকি-ধমকি, চাপ-বলপ্রয়োগ ইত্যাদি ঘটবে তখনই আল্লাহর তরফ থেকে যালেমদের ধ্বংসের এবং তাওহীদবাদীদের প্রতিষ্ঠার ইন্তিযাম হবে। এখন তাদের পক্ষ থেকে এসব যা চলছে সেগুলো তাদের পরাজয় ও আসন্ন দ্বীন বিজয়ের চূড়ান্ত ধাপ ইনশাআল্লাহ। এই বিজয়ের পূর্ব মুহূর্তে কাজে অংশগ্রহণকারী এবং বিজয় পরবর্তীতে অংশগ্রণকারীদের মর্যাদা কখনো এক হবেনা। এই সাবিকুনদের সম্পর্কে হাদিসে কী ইশারা রয়েছে দেখুন!

ونزفُ إليكم هذه البشارة والخير العظيم من رسول رب العالمين صلى الله عليه وسلم ، فعن أنس رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم :

(( أنتم اليوم على بيّنة من أمركم ، تأمرون بالمعروف ، وتنهون عن المنكر ، وتجاهدون في سبيل الله ، ثم تظهر فيكم السّكرتان ، سكرة الجهل ، وحب العيش ، فلا تأمرون بمعروفٍ ، ولا تنهون عن منكرٍ ، ولا تجاهدون في سبيل الله ؛ القائمون منكم يومئذ بالكتاب والسنة لهم أجر خمسين صديقاً )) . قالوا : يا رسول الله ، منّا أو منهم ، قال : (( لا ، بل منكم )) . رواه أبو نُعيم وهو حديث صحيح . فتأمل ، على قدر البلاء يكون الجزاء

“এবং আপনাদেরকে বিশ্বজাহানের প্রতিপালকের দূতের পক্ষ থেকে এক বিশাল কল্যাণ এবং এই সুসংবাদ উপঢৌকন দিচ্ছি। যেমন আনাস রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- এই সময়ে তোমরা তোমাদের বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে পরিষ্কার অবস্থানে রয়েছ, সৎ কাজের হুকুম দিচ্ছো, অসৎ কাজ নিষেধ করছো এবং আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করছো, অতঃপর তোমাদের মধ্যে দুটি মত্ততা প্রকাশ পাবে, মুর্খতা এবং ভোগবিলাসের মত্ততা।

ফলে সৎ কাজের হুকুম করবেনা আর অসৎ কাজ নিষেধও করবেনা আল্লাহর পথে জিহাদও করবেনা। সে সময় তোমাদের মধ্যে যারা কিতাব সুন্নাহ নিয়ে প্রতিষ্ঠিত থাকবে তাদের জন্য মিলবে পঞ্চাশ জন সিদ্দীকের পুরষ্কার। তাঁরা বললেন ইয়া রাসুলাল্লাহ আমাদের মধ্যে পঞ্চাশ জন না তাদের মধ্যে পঞ্চাশ জন? তিনি বললেন না বরং তোমাদের মধ্য হতে। হাদিসটি আবু নুয়াইম (আলহুলিয়াহ- ৪/৪৯) বর্ণনা করেছেন। সনদ সহীহ। লক্ষ্য করে দেখুন! কষ্টের পরিমাপ অনুযায়ী হবে প্রতিদান।”

জান্নাত সুখের কিন্তু তার চারপাশ কষ্ট দিয়ে ঘেরা। আল্লাহর দ্বীনের পথে যে পরিমান কষ্ট আসবে সে অনুযায়ী জান্নাত এবং তার উচু মর্যাদা নিশ্চিত হবে ইনশাআল্লাহু তায়ালা। শুধু তাই নয়, দুনিয়ায় আল্লাহর প্রতিনিধিত্বও এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার উপরই নির্ভর করে। ইবরাহীম আলাইহিস সালাম আল্লাহর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েই দুনিয়া আখেরাতের ইমামতি পেয়েছেন। ইবরাহীম পরীক্ষার ঝুকি নেয়ার পর আল্লাহ তায়ালা তার জন্য পরীক্ষা শুধু সহজই করে দেননি বরং সেটি তার জন্য মধুরও হয়ে উঠেছিল, আগুনের বাহ্যিক রূপ ঠিক থাকলেও সেটিকে তিনি প্রশান্তিময় শীতল পেয়েছেন, অতঃপর আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ওয়াকাযালিকা নাজযিল মুহসিনীন - এই ভাবেই আমি সৎকর্মশীলদের প্রতিদান দিয়ে থাকি। আল্লাহ তায়ালা তাঁর সেই নিয়ম পরিবর্তন করেন নি, আল্লাহর পরীক্ষার আগুন শুধু বাহ্যিকভাবে আগুনের রূপে কিন্তু ভিতরে প্রশান্তির জান্নাত, ওয়ালিমান খাফা মাকামা রাব্বিহী জান্নাতান, যারা আপন রবের সামনে দাড়ানোর ভয় করে (চলে) তাদের জন্য রয়েছে দুটি জান্নাত।

এই আয়াতের এক তাফসীর হলো, আল্লাহর হুকুম যথাযথ পালনের কষ্টের মধ্যে দুনিয়ায় একটি জান্নাতের মধুরতা রয়েছে। দেখুন বিলাল রাঃ এই মধুরতার স্বাদে “আহাদ আহাদ” বলেছেন, মৃত্যুর কষ্ট তাদের শরীরের উপর আপতিত হলেও শহীদেরা কষ্ট অনুভব করেনা কারণ তাদের আত্মা আল্লাহর সান্নিধ্যলাভে ধন্য হয়। এই কারণেই যার ঈমানি হালত, আমলি অবস্থান যত মযবুত সে এসব পরীক্ষায় তত স্বাচ্ছ্যন্দবোধ করে থাকে, যেন জান্নাতের স্বাদ পেতে থাকে, যার ফলে শত নির্যাতনের পরেও তাদেরকে জান্নাত থেকে বের করা যায়না। নিজ আদর্শ থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করা যায় না, আর যদি কিছু কষ্ট অনুভূত হয় তবে সেটি নিজেদের গুনাহের কারণে। গুনাহ ধুয়ে সাফ হয়ে যাওয়ার পর মুমিনের উপর যে কষ্ট আসে সেটিতে সে স্বাদ আর স্বাদই পেতে থাকে, আর তখন সে কষ্টসমূহ দ্বারা তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি পেতে থাকে। এই ধারায় সর্বোচ্চ মর্যাদার জন্য “রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহর পথে এমন কষ্ট দেয়া হয়েছে যা আর কাউকে দেয়া হয়নি।” (বুখারি)

এই সুন্নতের অনুশীলন ছাড়া দুনিয়ার জীবন কেটে গেলে বাস্তবেই হাশরের দিনে অনেক আক্ষেপ করতে হবে। যাদেরকে আল্লাহ তায়ালা অধিক ভালোবেসে আপন নবীর সেই সুন্নতের পথে পরিচালিত করছেন তাদের বিচলিত হবার কিছু নেই, এই সিয়াহাহ/প্রিয়ের গলিতে পাগলপারা হয়ে ঘোরা ফেরা, যেখানে আপনজন দেখে দেখে মুচকি হাসছে, তা কতো যে মধুর মহব্বতের - অনুভূতিশূন্যদের উপলব্ধিতে না আসলে কি হবে, আল্লাহর ভালোবাসায় ধন্যরা ঠিকই এই সম্পদের মূল্য বুঝেন।

কবি বলেন-

আমি লায়লার বাড়ির পাশ দিয়ে যাই, এখানে সেখানে ঢু মারি, এই দেয়ালে সেই দেয়ালে চুমু খাই। দেয়ালের মহব্বত আমাকে পাগল করেনি কিন্তু এগুলো যার ছোঁয়া ধন্য তাঁর মহব্বত আমাকে পাগল করেছে।

এতো হলো বাজে মহব্বতের দাবিদারদের অনুভূতি। তাহলে বাস্তব মহব্বত ধন্যদের মুগ্ধতা কোন পর্যায়ের হওয়া উচিত! ঐ বান্দার ভালোবাসার আর মুগ্ধতার অনুভূতি কেমন হওয়া উচিত, যার প্রতিটি মুহুর্ত আল্লাহর পথে থাকার কারণে নেক আমলের মধ্যে গন্য হচ্ছে, অন্যান্য আমলের সাওয়াব বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়ে অতিরিক্ত উপার্জন হয়ে জমা থাকছে, জীবনের হিসাব সহজ হয়ে যাচ্ছে?

আল্লাহ তায়ালা আমাদের তার মহব্বতের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নাম্বারে সফলতা নসীব করুন। আমীন।।

 

pdf

https://archive.org/details/BijoyAshbe

http://www.mediafire.com/file/1w16yracs2ffmk5/BijoyAshbe.pdf/file

https://mega.nz/#!7rYi0CbS!54nMV4BLLoqvz5JcVlzz7BrzabVAwCd6HM7hxRgYMm0