JustPaste.it

UM-13-Monimukto

 

um13.jpg

মনিমুক্তো

 

উম্মাতুন ওয়াহিদাহ

(প্রথম সংখ্যা)

 

(উম্মাতুন ওয়াহিদাহ ম্যাগাজিনের ১ম সংখ্যা থেকে অনূদিত)

 

 

 

 

 

 

 

‘হে উপদেষ্টা, সর্বোচ্চ রাজ্য সুরক্ষা আদালতের হে সভাপতি, জ্ঞানী ও চক্ষুষ্মানদের জন্য প্রমাণ উপস্থিত হয়ে গেছে। সত্য আজ প্রকাশিত। প্রভাতের আলো আজ উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছে। অতএব, এখন আপনার কর্তব্য হচ্ছে, আল্লাহর শরীয়ত দিয়ে বিচার ফায়সালা করা । তাঁর বিধানাবলী বাস্তবায়ন করা। যদি আপনি তা না করেন, তবে আপনি কাফির, জালিম ও ফাসিক।

আর শুনে রাখুন! আমরা জেল-জুলুম কোনো কিছুর পরোয়া করিনা। নির্যাতন-নিপীড়ন বা ফাঁসির ভয় আমাদের নেই। আমরা সেই কথাই বলছি, ফেরাউনের জাদুকররা ঈমান আনার পর, যা তাকে বলেছিল—

قَالُوا۟ لَن نُّؤْثِرَكَ عَلَىٰ مَا جَآءَنَا مِنَ ٱلْبَيِّنَٰتِ وَٱلَّذِى فَطَرَنَا فَٱقْضِ مَآ أَنتَ قَاضٍ إِنَّمَا تَقْضِى هَٰذِهِ ٱلْحَيَوٰةَ ٱلدُّنْيَآ

 ‘যাদুকররা বলল, “আমাদের কাছে যে সুস্পষ্ট প্রমাণ এসেছে তার উপর এবং যিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, তাঁর উপর আমরা কিছুতেই তোমাকে প্রাধান্য দেব না। অতএব, তুমি যা ইচ্ছা করতে পার। তুমি তো শুধু এই পার্থিব জীবনেই যা করার করবে’। [সুরা তোহা, ২০:৭২]

  • শায়খ উমার আব্দুর রহমান রহিমাহুল্লাহ

*****

 ‘নিজেদের মতাদর্শ তুলে ধরতে আমাদের দ্বিধা, সংকোচ বা লজ্জার কিছু নেই। নিঃসন্দেহে জিহাদ আমাদের আকিদার অংশ। কেয়ামত দিবস পর্যন্ত সশস্ত্র সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে; কোনো জালিমের জুলুম অথবা কোনো ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তির ন্যায়নিষ্ঠা একে বন্ধ করতে পারবে না। নিশ্চয়ই তরবারি অথবা অস্ত্র আমাদের দ্বীনের অংশ। সন্ত্রাস বা ভীতি প্রদর্শন ঐশী বিধানাবলীর মধ্যে একটি ফরজ বিধান। গুপ্তহত্যাও ঐশী বিধানাবলীর অন্যতম। এগুলো কোরআনে বর্ণিত বিষয়। এবিষয়ে কোরআনে অকাট্যভাবে প্রত্যক্ষ নির্দেশনা এবং পরোক্ষ নির্দেশনা উভয়টি এসেছে’।

  • শায়খ আব্দুল্লাহ আযযাম রহিমাহুল্লাহ

*****

 ‘আমরা এ কারণে আমেরিকানদের বিরুদ্ধে নই যে তারা আমেরিকার অধিবাসী। আমরা তো মূলত বাতিল শক্তি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের বিরুদ্ধে; যারা একটি ভ্রান্ত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছে। অতএব, আমেরিকার বিরুদ্ধে জিহাদ আমার ও আপনার সকলের উপর ওয়াজিব। সামর্থ্যবান প্রতিটি মুসলমানের উপর এটি ওয়াজিব। আর যখনই আমেরিকার অপরাধ বেড়ে যাবে, যখনই এর পক্ষে লড়াইকারী সৈন্যদের সংখ্যাবৃদ্ধি ঘটবে, যখনই তোমরা বিমানে করে আমাদের কাছে তোমাদের বোমা পাঠাবে, তখন আমরাও তোমাদের কাছে আমাদের বোমা পাঠাব। আর এই যুদ্ধ আমরা শেষ পর্যন্ত চালিয়ে যাব’।

  • শায়খ আনওয়ার আল আওলাকি রহিমাহুল্লাহ

*****

 ‘আর কতদিন আমাদের ভাগ্যে জুটবে শুধু ভয়-ভীতি, হত্যা ও ধ্বংসলীলা, দেশান্তর ও বিতাড়ন, অনাথ শিশুর কান্না আর বৈধব্য? অপরদিকে শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতি ও নিরাপত্তা সবই তোমরা কুক্ষিগত করে রাখবে? নিঃসন্দেহে এটি একটি অসম বণ্টন। এখন সময় এসেছে সুষম বণ্টনের। তাই এখন থেকে তোমরা হত্যা করলে তোমাদেরকেও হত্যা করা হবে, তোমরা গোলাবর্ষণ করলে অনুরূপভাবে তোমাদের বিরুদ্ধেও গোলাবর্ষণ করা হবে। যত কিছু তোমাদের অপছন্দের, তেমন সব বিষয়ের সুসংবাদ (!) তোমরা গ্রহণ কর’

- শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

 

আমেরিকানদেরকে হত্যা করতে কারো কাছে জিজ্ঞেস করবে না। আল্লাহর বরকত নিয়ে সামনে এগোতে থাকো। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা সর্বশ্রেষ্ঠ নবী আলাইহিস সালামের সান্নিধ্যের যে প্রতিশ্রুতি তোমাকে দান করেছেন, তা স্মরণ করে এগিয়ে চলো’

  • শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

 

*****

‘আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে বিজয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আর বুশ দিয়েছে পরাজয়ের। আমরা দেখতে চাই কার প্রতিশ্রুতি সত্য? এটা ঠিক আছে আমেরিকা একটি মহারাষ্ট্র, কিন্তু বিবেক বুদ্ধির দিক থেকে তারা নিতান্তই অপরিপক্ব ও প্রতারণার শিকার। যুদ্ধবিমান, সামরিক সরঞ্জামাদি ও ভারী ভারী বোমার কারণে সে শক্তিশালী হতে পারে কিন্তু মনোবলের দিক থেকে সে খুবই দুর্বল’।

  • আমীরুল মু’মিনীন মোল্লা ‍ওমর রহিমাহুল্লাহ

*****

 ‘আমাদের হাতে তো দায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়েছে; রাজত্ব এবং শাসন ক্ষমতা আমাদেরকে দেওয়া হয়নি। আত্ম-বিসর্জনের ভার আমাদেরকে দেওয়া হয়েছে। আমরা আল্লাহ আজ্জাওয়াজাল-এর কাছে তাওফিক ভিক্ষা চাই। অনেকেই মনে করে, এই পদটি বিরাট মর্যাদার বিষয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এটি একটি বড় আপদ, যা আমার উপর আপতিত হয়েছে। মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী, তা অবশ্যই আসবে। আজ হোক কাল হোক, আমাদের চলে যেতেই হবে’।

  • আমীরুল মু’মিনীন মোল্লা আখতার মানসূর রহিমাহুল্লাহ

*****

 ‘মুজাহিদদের কর্তব্য হলো, আমাদের প্রয়াত দুজন প্রিয় নেতা আমীরুল মু’মিনীন মোল্লা মুহাম্মদ ওমর মুজাহিদ এবং মোল্লা আখতার মানসূর রহিমাহুমাল্লাহ—তাঁদের উভয়ের দেখানো মানহাজ অনুসারে পথ চলার জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করা। মুজাহিদরা যেন মুসলমানদের খিদমাহ, জনসেবা ও জনস্বার্থে কাজ করাকে একটি দ্বীনী খেদমত এবং নিজেদের সর্বোচ্চ লক্ষ্যের অন্তর্ভুক্ত মনে করে’।

  • আমীরুল মু’মিনীন মোল্লা হিবাতুল্লাহ আখুন্দযাদাহ হাফিযাহুল্লাহ

*****

 

 ‘যত বড় বিপদই আসুক, যতই ঘোর বিপর্যয় নামুক, জিহাদের পথে যত রকম বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হতে হোক, তা যেন ক্লান্তি ও অবসাদ, দুর্বলতা ও অবসন্নতা, কর্ম পরিত্যাগ এবং শত্রুর কাছে নতি স্বীকার ও তার আনুগত্য মেনে নেওয়ার কারণ না হয়। এক্ষেত্রে ধৈর্য, সহিষ্ণুতা ও অধ্যবসায়ের খুব বেশি প্রয়োজন, যাতে প্রাণঘাতী এ সমস্ত রোগ দূর হয়ে যায়। এমনিভাবে আরও প্রয়োজন হলো প্রবৃত্তির বিরোধিতা করার, আলস্য ও উদাসীনতার সকল উপাদান দূরীভূত করার এবং মনের মাঝে খারাপ কিছুর অনুপ্রবেশ ঘটাতে পারে এমন সবকটি জানালা বন্ধ করে দেওয়ার’।

  • শায়খ আবু ইয়াহইয়া লিবী রহিমাহুল্লাহ

 

*****

‘হে আমার ভাইয়েরা,

তারা যদি আমাকে হত্যা করে—আর কোনো সন্দেহ নেই যে তারা তা করবেই—তবে তোমরা আমার কফিন অনুসরণ করে পেছনে পেছনে আসবে। আর আমার মরদেহ আমার পরিবারের কাছে পাঠাবে। কিন্তু, তোমরা আমার রক্তকে ভুলে যেও না এবং তা বৃথা যেতে দিও না; বরং আমার পক্ষে তাদের থেকে তোমরা চরম ও কঠিন প্রতিশোধ গ্রহণ করবে। তোমরা, তোমাদের এক ভাইকে স্মরণ রাখবে যে সত্যের বাণী উচ্চারণ করে আল্লাহর পথে নিহত হয়ে গেছে। এই কয়েকটি কথা ওসিয়ত হিসেবে আমি তোমাদের কাছে বলে গেলাম।আল্লাহ তায়ালা তোমাদেরকে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের তৌফিক দিন। তোমাদের কাজে বরকত দান করুন। আল্লাহ তোমাদেরকে হেফাজত করুন এবং বিজয় দান করুন।

ওয়াসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ’।

  • শায়খ উমার আব্দুর রহমান রহিমাহুল্লাহ

****

 “কেউ যেন মনে না করে, জিহাদের পথে যাত্রা খুবই আরামদায়ক। সর্বত্র ও সর্বক্ষণ সচ্ছলতা ও স্বাচ্ছন্দ্য, নিরাপত্তা ও প্রাচুর্য, ধারাবাহিক বিজয় ও প্রতিষ্ঠা লাভ এবং সার্বিক সুখ সাফল্যের মধ্য দিয়েই যেন তা এগিয়ে চলে! এমনটা মনে করলে বিপদের প্রথম আঘাতেই আল্লাহ সম্পর্কে ব্যক্তির বিরূপ ধারণা সৃষ্টি হবে। সে মনে করতে আরম্ভ করবে, আল্লাহর ওয়াদা মিথ্যা। আর এভাবেই সে নিজেকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেবে।  তার অবস্থা হবে পূর্ববর্তী সেসব দুর্বল ঈমানদারের ন্যায় যাদের ব্যাপারে আল্লাহ ইরশাদ করেছেন—

بَلْ ظَنَنتُمْ أَن لَّن يَنقَلِبَ ٱلرَّسُولُ وَٱلْمُؤْمِنُونَ إِلَىٰٓ أَهْلِيهِمْ أَبَدًا وَزُيِّنَ ذَٰلِكَ فِى قُلُوبِكُمْ وَظَنَنتُمْ ظَنَّ ٱلسَّوْءِ وَكُنتُمْ قَوْمًۢا بُورًا

‘বরং তোমরা ধারণ করেছিলে যে, রাসুল ও মুমিনগণ তাদের বাড়ি-ঘরে কিছুতেই ফিরে আসতে পারবে না এবং এই ধারণা তোমাদের জন্যে খুবই সুখকর ছিল। তোমরা মন্দ ধারণার বশবর্তী হয়েছিলে। তোমরা ছিলে ধ্বংসমুখী এক সম্প্রদায়’। [সূরা ফাতহ,৪৮: ১২]

  • শায়খ আবু ইয়াহইয়া লিবী রহিমাহুল্লাহ

 

************